নিউইয়র্কে ‘সাপ্তাহিক বাংলাদেশ’ নিজ পৃষ্ঠপোষকদের সম্মানে আয়োজন করে ব্যতিক্রমী একটি অনুষ্ঠান ‘প্যাট্টনন্স অ্যাপ্রিসিয়েশন নাইট’| আলোচনা, সঙ্গীত ও ˆনশভোজ মিলিয়ে অনুষ্ঠানটি ছিলো অনবদ্য| আলোচনা পর্বে বক্তাগণ বলেন, নিউইয়র্ক সিটির বাংলাদেশী অধ্যুষিত এলাকা জ্যামাইকা থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক বাংলাদেশ ¯^দেশপ্রীতি আর কমিউনিটির কল্যাণে অনন্য মুখপত্র হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে| অবদান রেখে চলেছে নিউইয়র্কসহ উত্তর আমেরিকায় ‘আলোকিত বাংলাদেশী কমিউনিটি’ গড়তে| বক্তাগই সাপ্তাহিক বাংলাদেশ এর অব্যাহত প্রকাশনা ও সমৃদ্ধি কামনার পাশাপাশি সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন|
নিউইয়র্ক সিটির কিউ গার্ডেনের আগ্রা প্যালেসে গত ২০ জুন, শনিবার সন্ধ্যায় আয়োজিত অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন জ্যাকসন হাইটসের মসজিদ নামিরা’র ইমাম খলিলুর রহমান সিরাজী| এরপর পরিবেশিত হয় যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত| পরবর্তীতে ¯^াগত বক্তব্য রাখেন সাপ্তাহিক বাংলাদেশ সম্পাদক ডা. ওয়াজেদ এ খান| আলোচনায় অংশ নেন পত্রিকাটির ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ দিনাজ খান ও উপদেষ্টা সম্পাদক আনোয়ার হোসেইন মঞ্জু| অনুষ্ঠানের শুরুতে সাপ্তাহিক বাংলাদেশ পৃষ্ঠপোষকদের সহযোগিতার প্রতি ¯^ীকৃতি জানানো হয়| এছাড়া সাপ্তাহিক বাংলাদেশ এর ওপর একটি সংক্ষিপ্ত প্রামাণ্য তথ্যচিত্রও প্রদর্শন করা হয় অনুষ্ঠানে|
শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি, জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের সেক্রেটারী মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার, বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সভাপতি নার্গিস আহমেদ, কুইন্স ডেমোক্র্যাটিক পার্টির ডিষ্ট্রিক্ট লিডার অ্যাট লার্জ এটর্নি মঈন চৌধুরী, সিটি ইউনিভার্সিটির প্রফেসর ড. দীন আল রশীদ, বিশিষ্ট মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মনিবুর রহমান খান, ডা. মাসুদ সিকদার, অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান, কমিউনিটি অ্যাক্টিভিষ্ট ডা. ˆসয়দ আল আমীন রাসেল, এনওয়াই সিনিয়র এডাল্ট ডে কেয়ার’র সিএফও মোহাম্মদ জাহিদ আলম|
অনুষ্ঠানে ডা. ওয়াজেদ এ খান সাপ্তাহিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সংক্ষেপে তুলে ধরে বলেন, একটি বিশেষ লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে ১৯৯৮ সালে যাত্রা শুরু করে সাপ্তাহিক বাংলাদেশ| সেই থেকে পত্রিকাটি প্রবাসে প্রিয় জন্মভূমি বাংলাদেশ-কে তুলে ধরার পাশাপাশি দেশপ্রেমিক ঐক্যবদ্ধ কমিউনিটি গড়তে বিগত প্রায় তিন দশক যাবত অব্যাহতভাবে দায়িত্ব পালন করে চলেছে| সাপ্তাহিক বাংলাদেশ দেশের কথা বলেন, ¯^াধীনতার কথা বলে, কমিউনিটির কথা বলে| তিনি বলেন, নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও সম্মানিত পৃষ্ঠপোষকদের অব্যাহত সমর্থন ও সহযোগিতায় পত্রিকাটি নিয়মিত প্রকাশিত হয়ে আসছে| প্রিন্ট সংস্করণ পাশাপাশি পত্রিকাটির অনলাইন ভার্সন এবং ফেসবুকে সমান তালে প্রচারণা চলছে|
ডা. ওয়াজেদ খান তার বক্তব্যে সাপ্তাহিক বাংলাদেশ-এর প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. মোহাম্মদ হামিদুজ্জামান ও প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক মরহুম আফতাব ˆসয়দ এবং সাবেক নির্বাহী সম্পাদক ড. আশরাফ উদ্দিন আহমেদ-কে গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন| সকল পৃষ্ঠপোষকদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান ডা. ওয়াজেদ খান|
আনোয়ার হোসেইন মঞ্জু বলেন, মহামারী করোনা’র পর থেকে মিডিয়া জগতসহ বিভিন্ন সেক্টরে ধস নেমেছে| ফলে নানা সঙ্কট মোকাবেলা করেই সকল সেক্টরকে চলতে হচ্ছে| বিশ্বখ্যাত শীর্ষ পত্রিকা দ্য নিউয়র্ক টাইমসসহ অনেক পত্রিকা তাদের প্রকাশনা সঙ্কুচিত করতে বাধ্য হচ্ছে| এখন সবাই অনলাইনের দিকে ঝুঁকে পড়ছে| তিনি বলেন, সাপ্তাহিক বাংলাদেশও তার ব্যতিক্রম নয়| তারপরও পৃষ্ঠপোষকতদের সার্বিক সহগযোগিতায় বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে|





Add comment