যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ড. মুহাম্মাদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের করা ‘এগ্রিমেন্ট অন রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ’ (এআরটি) চুক্তি নিয়ে জাতীয় সংসদে প্রশ্নের মুখে জবাব দিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান| এই প্রথম জাতীয় সংসদে এই চুক্তি নিয়ে প্রথম সরকার পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখা হয়েছে| তিনি বলেছেন, ˆবদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ, জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার এবং ˆবশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করবে এই চুক্তি|
জাতীয় সংসদে গাজীপুর-৫ আসনের সাংসদ এ কে এম ফজলুল হক মিলনের করা এক প্রশ্নের জবাবে গত বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া বিতর্কিত বাণিজ্যিক চুক্তি নিয়ে এমন মন্তব্য করেন খলিলুর রহমান| এ কে এম ফজলুল হক মিলন তার প্রশ্নে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে জানতে চান, নতুন রপ্তানি বাজার ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে কূটনৈতিক কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে কি-না? জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক চুক্তি, ব্যবসায়িক যোগাযোগ বাড়ানো, আন্তর্জাতিক ব্যবসায়িক সম্মেলন আয়োজনের তথ্য তুলে ধরেন|
খলিলুর রহমান বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্প্রতি অ্যাগ্রিমেন্ট অন রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ (এআরটি) ¯^াক্ষরিত হয়েছে| এই চুক্তির মাধ্যমে মার্কিন তুলা ব্যবহার করে উৎপাদিত ˆতরি পোশাকের ক্ষেত্রে শূন্য শুল্ক সুবিধা নিশ্চিত হয়েছে| চুক্তিটি ˆবদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ, জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার এবং ˆবশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে ইতিবাচক ভুমিকা রাখবে বলে আশা করা যায়|
প্রসঙ্গত, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তিনদিন আগে গত ৯ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই চুক্তি করে| এই চুক্তির মাধ্যমে আমেরিকা থেকে তুলা, জ্বালানি পণ্য, সয়াবিন, গম, উড়োজাহাজসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানি করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের বাধ্যবাধকতা সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিমত ব্যবসায়ী ও বিশেষজ্ঞদের| চুক্তি অনুযায়ী, এতে যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত ১৩১টি শর্ত মানতে হবে বাংলাদেশকে|





Add comment