১২ জন মার্কিন নাগরিকের বিরুদ্ধে তাদের ‘নাগরিকত্ব বাতিল’ বা ডি-ন্যাচারালাইজেশন মামলা ফেডারেল আদালতে দায়ের করেছে ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস| অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদে সহায়তা, যুদ্ধাপরাধ, গুপ্তচরবৃত্তি, অভিবাসন জালিয়াতি, অস্ত্র পাচার, আর্থিক প্রতারণা এবং শিশু যৌন নির্যাতনের মতো গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে এবং বিষয়টি ইতোমধ্যে দেশজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে| ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস জানিয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা নাগরিকত্ব পাওয়ার সময় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করেছেন বা মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে| কারো বিরুদ্ধে অতীতের অপরাধ লুকানোর অভিযোগ রয়েছে, আবার কারো ক্ষেত্রে অভিযোগ করা হয়েছে, নাগরিকত্ব পাওয়ার পর তারা সন্ত্রাসী সংগঠনের প্রতি সমর্থন দেখিয়েছেন| প্রশাসনের দাবি, এসব ব্যক্তি কখনোই যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হওয়ার যোগ্য ছিলেন না|
মার্কিন ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ন্যাশনালিটি অ্যাক্ট অনুযায়ী, কেউ যদি প্রতারণা, তথ্য গোপন বা ইচ্ছাকৃত মিথ্যা তথ্যের মাধ্যমে নাগরিকত্ব লাভ করেন, তাহলে আদালতের মাধ্যমে সেই নাগরিকত্ব বাতিল করা যেতে পারে| ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্ল্যাঞ্চ বলেন, যারা যৌন নির্যাতনের মতো জঘন্য অপরাধে জড়িত, সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন করে অথবা প্রতারণার মাধ্যমে নাগরিকত্ব পেয়েছে, তাদের কখনোই যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হওয়া উচিত ছিল না| ট্রাম্প প্রশাসন অভিবাসন ব্যবস্থার এই গুরুতর অপব্যবহার সংশোধনে পদক্ষেপ নিচ্ছে| ডিওজের সিভিল ডিভিশনের অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাটর্নি জেনারেল ব্রেট এ শুমেট বলেন, আমরা রেকর্ড গতিতে ডিন্যাচারালাইজেশন মামলা করছি, যাতে নাগরিকত্ব প্রক্রিয়ার সততা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা যায়|





Add comment