বিশিষ্ট লেখক, চিন্তক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল মার্কিন মুলুকে সংক্ষিপ্ত ভ্রমণ এসেছেন| ২০২৬ সালের বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বইমেলা ও নবী-জিনাত সাহিত্য পুরস্কারে’ ভূষিত হয়েছেন তিনি| গেল মে মাসে তাঁকে বইমেলায় এই পুরস্কার দেয়া হয়| তাঁর হাতে তুলে দিতেই মুক্তিযোদ্ধা ড. নুরুন নবী’র নিউজার্সির বাড়ির আঙিনায় আয়োজন করা হয় বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের| ১৯ জুলাই ২০২৬| বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকে নিউজার্সিতে সমবেত হয়েছেন সুধীজন| ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল ও ড. ইয়াসমিন হক কে ঘিরে জমজমাট আড্ডা| বেলা দেড়টায় শুরু হয় পুরস্কার ও সম্মাননা প্রদান পর্ব| ‘একাত্তরের প্রহরী ফাউন্ডেশনের’ সদস্য সচিব স্বীকৃতি বড়ুয়া ভূমিকা বক্তব্য দিয়ে মঞ্চে আহ্বান করলেন ফাউন্ডেশনের সভাপতি ও বইমেলার আহ্বায়ক ড. নুরুন নবীকে| প্রবর্তিত এই পুরস্কারেরও তিনি অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা|
ড. নবী একে একে মঞ্চে আহ্বান করেন ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল, ড. ইয়াসমিন হক, ড. জিনাত নবী ও বিশিষ্ট চিন্তক বেলাল বেগ কে| ড. নুরুন নবী এই পুরস্কার প্রবর্তনের প্রেক্ষাপট বর্ণনা করলেন| বললেন, এক চরম ক্রান্তিলগ্নে আমরা এই বইমেলার আয়োজন শুরু করেছিলাম| মূল অনুষ্ঠান সঞ্চালনার জন্যে পুরস্কার কমিটির চেয়ারম্যান কবি ফকির ইলিয়াসের হাতে মাইক তুলে দেয়া হয়|
ফকির ইলিয়াস সবাইকে পুনরায় স্বাগত জানিয়ে বলেন, আমরা আনন্দিত, গর্বিত যে আজ আমরা এই সম্মাননা ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালের হাতে তুলে দিতে পারছি| এই কমিটিতে ছিলেন, বিশিষ্ট লেখক ও মুক্তিযুদ্ধ গবেষক তাজুল মোহাম্মদ,কানাডা, বিশিষ্ট লেখক ড আতাউল করিম, আরকানসাস, বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক সালমা বাণী, কানাডা, বিশিষ্ট লেখক সেজান মাহমুদ, কানেকটিকাট বিশিষ্ট সংগঠক স্বীকৃতি বড়ুয়া, নিউইয়র্ক, একুশে পদকপ্রাপ্ত লেখক ড নুরুন নবী, নিউজার্সি ও কবি ফকির ইলিয়াস, নিউইয়র্ক| আর্থিক সম্মাননা দুই হাজার ডলার তাঁর হাতে তুলে দেন ড. জিনাত নবী|
ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল বলেন, ওরা রিসেট বাটন টিপতে চেয়েছে| আমি পদার্থবিজ্ঞানের শিক্ষক হিসেবে এর পরিণতি,ক্রিয়া প্রতিক্রিয়া জানি| এটা কি এতোই সহজ ! তিনি বলেন, আমার পিতাকে গুলি করে তাঁর মরদেহ নদীতে ভাসিয়ে দিয়েছিল পাক হানাদার বাহিনী| আমরা উদ্বাস্তুর মতো এদিক সেদিক ঘুরে বেড়িয়েছি| ওই সময় ড. নুরুন নবীর মতো বীর মুক্তিযোদ্ধারা যুদ্ধ করে এই দেশ স্বাধীন করেছেন| আমার পিতা, শুধু এই দোয়া করতেন- তাঁর সন্তানেরা যেন ভালো থাকে| সুখে থাকে| আমরা সেই বাঙালী জাতির সন্তান| আমাদের পিতা আমাদের জন্য লাইফ সেক্রিফাইজ করেছিলেন|





Add comment