যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের পক্ষে রায় দিয়ে গ্রিন কার্ডধারীদের বিরুদ্ধে অভিবাসন আইন প্রয়োগে ফেডারেল সরকারের ক্ষমতা আরও সুদৃঢ় করেছে| আদালত সিদ্ধান্ত দিয়েছে যে, বিদেশ ভ্রমণ শেষে যুক্তরাষ্ট্রে ফেরার সময় কোনো গ্রিন কার্ডধারী বা ˆবধ স্থায়ী বাসিন্দার বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধরনের অপরাধের বিশ্বাসযোগ্য সন্দেহ থাকলে বা মনে করলে ইমিগ্রেশন অফিসার বা সীমান্ত কর্মকর্তারা তাকে ইমিগ্রেশন প্যারোল অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি দিতে পারেন এবং পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে বহিষ্কার কার্যক্রম শুরু করতে পারেন| অভিবাসন আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, এই রায় ভবিষ্যতে গ্রিন কার্ডধারীদের পুনঃপ্রবেশের অধিকার, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার সুরক্ষা এবং অভিবাসন বিষয়ে নির্বাহী ক্ষমতার সীমা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ নজির হিসেবে বিবেচিত হবে|
মামলাটি নিউ জার্সির বাসিন্দা ও গ্রিন কার্ডধারী মুক চয় লাউকে কেন্দ্র করে| ২০১২ সালে চীন সফর শেষে যুক্তরাষ্ট্রে ফেরার সময় সীমান্ত কর্মকর্তারা তাকে জাল পণ্যের ব্যবসার অভিযোগে সন্দেহভাজন হিসেবে ইমিগ্রেশন প্যারোলে রাখেন| পরে লাউ নিউ জার্সিতে নকল পোশাক বিক্রির দায় ¯^ীকার করলে ডিপার্টমেন্ট অফ হোমল্যান্ড সিকিউরিটি (ডিএইচএস) তার বিরুদ্ধে দ্রুত বহিষ্কার কার্যক্রম শুরু করে| লাউয়ের আইনজীবীরা যুক্তি দেন যে, সীমান্ত কর্মকর্তারা তাদের ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করেছিলেন, কারণ তখনও তিনি কোনো অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হননি| তাদের মতে, ওই সিদ্ধান্তই পরবর্তীতে তাকে বহিষ্কারের ঝুঁকিতে ফেলে|





Add comment