নিউইয়র্কে মুসলিম কমিউনিটির প্রাণের প্রতিষ্ঠান জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টার (জেএমসি)-এর জন্য বিশেষ ফান্ড রেইজিং অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। জ্যামাইকায় অবস্থিত শুধু বাংলাদেশী নয়, অন্যান্য মুসলিম কমিউনিটির জন্য ‘জেএমসি’ এক আদর্শ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। মুসল্লিদের কথা বিবেচনা করে জেএমসি’র তিনতলা ভবন চার তলায় বর্ধিত করা হচ্ছে। এজন্য চার মিলিয়ন ডলারের একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। সম্প্রসারণ প্রকল্পের ৫০ শতাংশ কাজ ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে। প্রকল্পের বাকী কাজ এগিয়ে চলেছে এবং এই প্রকল্প শেষ করতে আরো দুই মিলিয়ন ডলার অর্থের প্রয়োজন। এমন প্রয়োজন মেটাতে আয়োজন করা হয় বিশেষ ফান্ডরেইজিং ডিনারের। এতে নগদ, চেক ও প্রতিশ্রুতি মিলিয়ে প্রায় ৯ মিলিয়ন ডলার সংগৃহীত হয়েছে। নিউইয়র্ক লাগোর্ডিয়া এয়ারপোর্ট ম্যারিয়ট হোটেলের বলরুমে গত ২৪ অক্টোবর শনিবার সন্ধ্যায় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
ধর্মীয় ভাবগম্ভীর পরিবেশে অনুষ্ঠিত বিশেষ ফান্ডরেইজিং ডিনার অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন রাওদাহ ইন্সটিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি শেখ ড. জাকির আহমেদ ও জেএমসি’র ডিরেক্টর ইমাম শামসী আলী এবং কী নোট স্পীকার ছিলেন ইন্টারফেইথ স্কলার, ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্যের সানডিয়াগোর মসজিদ আল রিবাত-এর ইমাম শেখ ওসমান বিন ফারুক। অনুষ্ঠানে ফান্ডরেইজিং-এর মূল পর্ব পরিচালনা করেন জেএমসি’র প্রধান ইমাম ও খতিব মাওলানা মির্জা আবু জাফর বেগ। এসময় ট্রাষ্টিবোর্ড ও ইসি কমিটির কর্মকর্তারা উপ¯ি’ত ছিলেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জেএমসি’র সেক্রেটারী মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন কারী নূহ কাওকাব। এরপর স্বাগত বক্তব্য রাখেন ফান্ডরেইজিং কমিটির চেয়ারম্যান আফতাব মান্নান ও জেএমসি’র বোর্ড অব ট্রাষ্টির চেয়ারম্যান ডা. মাহমুদুর রহমান তুহিন। পরবর্তীতে জেএমসি’র সম্প্রসারিত প্রকল্পের বিস্তারিত তুলে ধরেন জেএমসি পরিচালনা কমিটির সভাপতি ডা. নাজমুল এইচ খান। এছাড়াও শুভে”ছা বক্তব্য রাখেন জেএমসি’র বোর্ড অব ট্রাষ্টির ভাইস চেয়ারম্যান ও সম্প্রসারণ প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক।
ডা. নাজমুল এইচ খান পবিত্র রমজান মাসের আগেই প্রকল্পটির কাজ সমাপ্ত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, জেএমসি দেখে তখন সবার ভালো লাগবে এবং জেএমসিতে পাঁচ হাজারের বেশী মুসল্লী একত্রে নামাজ আদায় করতে পারবেন।





Add comment