আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও নিরাপত্তা ইস্যুকে ঘিরে নতুন করে আলোচনায় এসেছে ব্রাজিল–যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক। গত মঙ্গলবার ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট ফোনে কথা বলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে—যেখানে দুই দেশের নেতারা বাণিজ্য, অর্থনীতি এবং সংঘবদ্ধ অপরাধ রোধে যৌথ উদ্যোগের বিষয়ে প্রায় ৪০ মিনিট আলোচনা করেন।
ব্রাজিলের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় জানায়, মার্কিন বাজারে কফি ও গরুর মাংসসহ বেশ কয়েকটি পণ্যের ওপর আরোপিত অতিরিক্ত শুল্ক প্রত্যাহার করায় তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ধন্যবাদ জানান। একই সঙ্গে যেসব পণ্যের ওপর শুল্ক এখনো বহাল আছে, সেগুলো নিয়েও আলোচনার দরজা খোলা রাখার ইচ্ছা প্রকাশ করেন তিনি।
পরবর্তীতে হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, আলোচনায় ‘নিষেধাজ্ঞা’ সম্পর্কিত বিষয়ও এসেছে। এই প্রসঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দেন ব্রাজিলের সাবেক ডানপন্থী সাবেক প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে চলমান মামলাকে ঘিরে আন্তর্জাতিক চাপ প্রসঙ্গে।
পরে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মে মার্কিন প্রেসিডেন্ট লেখেন, খুব দ্রুতই তিনি ব্রাজিলের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চান এবং দুই দেশের নতুন অংশীদারিত্ব উভয় পক্ষের জন্য ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে বলে আশা করেন।
গত মাসে যুক্তরাষ্ট্র ব্রাজিলের কোকোবীজ, ফলমূলসহ বেশ কিছু খাদ্যপণ্যের ওপর আরোপিত ৪০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক প্রত্যাহার করে। ব্রাজিলের সাবেক প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলার জের ধরেই আগের শুল্ক আরোপ করা হয়েছিল।
অন্যদিকে, দুই নেতার ফোনালাপ এমন সময় হলো যখন ওয়াশিংটন ক্যারিবীয় অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি বাড়িয়েছে। পাশাপাশি মাদক পাচারের অভিযোগে গত তিন মাস ধরে ভেনেজুয়েলার উপকূলীয় নৌযানগুলোর ওপর ধারাবাহিক হামলা চালাচ্ছে মার্কিন বাহিনী।



